রাজধানীর বায়ুদূষণ প্রতিবেদন : আরো এক মাস সময় পেল দুই সিটি কর্তৃপক্ষ

রাজধানীর ধুলা নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ও উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় এজন্য আরো এক মাস সময় দিয়েছেন আদালত। আগামী ২৬ জুন এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির দিন ঘোষণা করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগরীর বায়ুদূষণ রোধে উচ্চ আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সকাল-বিকেল পানি ছিটানোর সঠিক তথ্য প্রতিবেদনে ব্যাখ্যা না করায় গত ৫ মে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সিইও মোস্তাফিজুর রহমান ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএরসিসি) সিইও আবদুল হাঁইকে বুধবার (১৫ মে) আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

সেই নির্দেশ মতো আজ তারা আদালতে উপস্থিত হলে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান এবং বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ এ সংক্রান্ত রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরশেদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লা আল মাহমুদ বাশার।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লা আল মাহমুদ বাশার জানান, ঢাকা মহানগরীর বায়ুদূষণ রোধে হাইকোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সকাল-বিকেল রাস্তায় সঠিকভাবে পানি ছিটানো হচ্ছে কি না তার ব্যাখ্যা দিতে নির্ধারিত সময় বুধবার সকালে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ দুই সিটি কর্পোরেশনের সিইও আবদুল হাঁই ও মোস্তাফিজুর রহমান হাইকোর্টে উপস্থিত হন।

এ সময় আদালত তাদের রাজধানীর ধুলা নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে আরও এক মাস সময় দিয়ে এ বিষয়ে আগামী ২৬ জুন পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেন।

এ সময় ধুলা, পানি নিষ্কাশন ও মশা নিধনের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে হাইকোর্ট বলেন, রাজধানীতে অনেক মশা। ঠিকমতো ওষুধ ছিটানো হয় না। যদিও ওষুধ ছিটায় তা দুই নম্বর। মশার কারণে নগরীর শিক্ষার্থীসহ অনেকের সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (ডিএনসিসি) অ্যাম্বাসেডররা থাকেন, বিদেশি ক্রেতারা থাকেন। তাদের যাতে মশার কারণে কোনো সমস্যা না হয় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।